- by Editor
- Jan, 06, 2025 11:06
নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনায় পিতাকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে পুত্র ও পুত্রবধূকে ঢাকার পল্লবী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম মো. রহিম গাজী (৪৫)। তিনি মাছ বিক্রির কাজ করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর রাতের কোনো এক সময় খুলনা নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলায় নিজ ঘরে শ্বাসরোধ ও ধারালো বঁটি দিয়ে গলা কেটে রহিম গাজীকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর থেকে নিহতের ছেলে লিমন (১৬) ও তার স্ত্রী চাঁদনী (১৫) পলাতক ছিলেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) দৌলতপুর থানা পুলিশের একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান চালিয়ে ৩ অক্টোবর দিবাগত রাতে ঢাকার পল্লবী থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিমন হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। সে জানিয়েছে, তার বাবা রহিম গাজী প্রতিদিন ফেরি করে মাছ বিক্রি করতেন। একাধিকবার লিমনকে ব্যবসায় সহযোগিতা করতে বললেও সে রাজি হয়নি। সম্প্রতি নেশার জন্য টাকা না পেয়ে বাবার সঙ্গে তার তর্কাতর্কি হয়। ক্ষোভের বশে ২ অক্টোবর রাতে প্রথমে শ্বাসরোধ করে এবং পরে ধারালো বঁটি দিয়ে গলা কেটে পিতাকে হত্যা করে।
ঘটনার পর তারা দুজন খুলনা থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে যায়।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার লিমন ও তার স্ত্রী চাঁদনীকে খুলনায় এনে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে।”
এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, রহিম গাজী পরিশ্রমী ও শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। ছেলের হাতে তাঁর এমন নির্মম মৃত্যুতে তারা হতবাক।