নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনার দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা (মিন্টুর মোড়) এলাকায় রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে নগর গোয়েন্দা শাখা ও দৌলতপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আল আমিন হত্যা মামলার একটি বড় দিনবদল এসেছে। পুলিশ আকাশ (২২) নামে এক আসামিকে গ্রে'প্তার করেছে, যার দেখানো স্থানের পুকুর থেকে তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, আকাশকে গ্রে’প্তার করা হয় ২৩ নভেম্বর দুপুর ২টার দিকে।
আকাশ দৌলতপুর থানার বুচিতলা এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার।
গ্রেফতারের পর, আকাশ পুলিশের সাথে স্বীকারোক্তি দিয়েছে এবং দেখানো নির্দেশনা অনুযায়ী অপরাধ-স্থলে অতিরিক্ত তল্লাশি চালানো হয়।
স্থানীয় অভিযানে গিয়ে, মিন্টুর মোড় এলাকায় একটি পুকুর থেকে তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
এসব অস্ত্র নিহত আল আমিন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
উদ্ধার করা অস্ত্র জবাই কাজে উপযোগী ধরণের — যা हत्या পরিকল্পনায় এছাড়াও সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে মামলার গুরুত্ব বাড়ায়।
আল আমিন (২৮), যিনি মাছের ঘের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, গত ৩ অগাস্ট রাতে দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা বণিকপাড়া খানাবাড়ি এলাকায় গলা কেটে হত্যার শিকার হন
পারিবারিক সূত্র এবং স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল এবং এতে ভূমিকা রয়েছে একটি স্থানীয় “কাউন্সিলর ডন”-এর।
আল আমিনের পরিবারসহ ন্যায্য বিচারের দাবিতে প্রতিবাদও বৃদ্বি পেয়েছে, বিশেষ করে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ বলেছে, তারা আকাশসহ বাকী আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রাখবে। তদন্তে নথিপত্র, সাক্ষ্য ও অস্ত্র বিশ্লেষণকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে এর প্রমাণীকরণ করা হবে — যথা সেই অস্ত্রই কি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল, এবং কারা সরবরাহ করেছে।
প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, তারা দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডে পুনরাবৃত্তি ঠেকানো যায়।